আত্মবিশ্বাস আর অনুশীলনের মাধ্যমে জীবনে শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তিতের উদাহারণ।

আত্মবিশ্বাস আর অনুশীলনের মাধ্যমে জীবনে শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তিতের উদাহারণ।

আমি এই শিরোনামে কয়েকজন ব্যক্তির আত্মজীবনে পর্যলোচনা করে সামান্য কিছু সংক্ষিপ্ত পরিসরে গুরত্বপূর্ণ এবং জীবন গঠনে অত্যান্ত মূল্যবান তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।মুলত এটা আমার জন্যই আমি অনুশীলন করেছি। কিন্তু বিষয়গুলো আমাকে ভাল লাগে তাই যাতে আমার মত আপনাদের কারো যদি ভাল লাগে এ মনে করে পাবলিশ করলাম।ক্ষমা করবেন সময় ক্ষেপনের ও ভুলত্রুটির জন্য। আসল কথায় আসা যাক।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন, ইংল্যাণ্ডের উইনস্টন চার্চিল ভালো বক্তা ছিলেন। পরে তারা রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানের গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন।বিখ্যাত গ্রিক বাগ্মী ডেমোস্থিনিস প্রথম জীবনে ভালোভাবে কথাই বলতে পারতেন না।

তাঁকে একজন মুখে পাথরের টুকরো পুরে বক্তৃতা দেওয়ার অনুশীলন করতে বলেছিলেন। ডেমোস্থিনিস তাই করেছিলেন। এক্ষেত্রে তাঁর আত্মবিশ্বাস ছিল অত্যন্ত প্রবল। এই আত্মবিশ্বাস আর অনুশীলনের মাধ্যমে তিনি শ্রেষ্ঠ বাগ্মী হয়েছিলেন।

পৃথিবীতে বক্তা আছেন অনেক, কিন্তু বাগ্মী বলতে যা বোঝায় তার সংখ্যা খুব বেশি নয়। ভালো বলতে পারাটা রাজনৈতিক নেতাদের বড় গুণ। বড় বড় নেতারা প্রায় সবাই ভালো বক্তা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার উইনস্টন চার্চিল ও জার্মান চ্যান্সেলর এডলফ হিটলার বক্তৃতার মধ্য দিয়ে গোটা জাতিকে জাগিয়ে তুলতে পারতেন। মহাত্মা গান্ধীও ভালো বক্তা ছিলেন। তবে প্রথমে তিনি ছিলেন খুবই লাজুক। আইনজীবী হিসেবে আদালতে সওয়াল জওয়াব করতেও সমস্যা হতো তাঁর। বিচারকের সামনে দাঁড়ালেই জিভ ও গলা শুকিয়ে আসত। কিন্তু তাঁর আত্মবিশ্বাস ছিল অত্যন্ত প্রবল। সমস্ত দুর্বলতা কাটিয়ে একদিন তিনি ভালো বাগ্মীতে পরিণত হয়েছিলেন । | বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছোটবেলায় ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী ছিলেন না। নানা রোগ-বালাই লেগেই ছিল তার পেছনে। কিন্তু তিনি ছিলেন প্রবল সাহসী। নীতি-আদর্শ মেনে চলা ছিল তার জীবনের ব্রত। স্কুল জীবন থেকেই তার প্রমাণ আমরা পেয়েছি। সমস্ত দুর্বলতা আর লাজুক স্বভাব কাটিয়ে তিনি ধীরে ধীরে সুবক্তা হয়ে উঠছিলেন । কলেজ জীবন থেকে হয়ে উঠেছিলেন বড় মাপের রাজনৈতিক নেতা

তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সমগ্র পাকিস্তানে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তান সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ষড়যন্ত্র শুরু করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শাসকগোষ্ঠীর্ বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (২ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে তিনি যে ভাষণ দেন তা সর্বকালের একটি শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যাকে বলা হয় ৭ই মার্চের ভাষণ |তার ডাকেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে এবং স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ।

সম্ম্যানিত পাঠক এই লেখা গুলো আমার জীবনের শিক্ষামাত্র। আমি কাউকে জ্ঞান দান করিনি।আমি বিভিন্ন পেপার পত্রিকা জীবনি ঘেটে যা পেয়েছি, যা শিখেছি তাই আপনাদের নিকট শেয়ার করেছি।ধন্যবাদ সকলকে।

logo
LOGO

3 thoughts on “আত্মবিশ্বাস আর অনুশীলনের মাধ্যমে জীবনে শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তিতের উদাহারণ।

  1. It’s a pity you don’t have a donate button! I’d certainly donate to this fantastic blog!
    I suppose for now i’ll settle for book-marking and adding your RSS feed to
    my Google account. I look forward to new updates and will talk about
    this site with my Facebook group. Chat soon!

Comments are closed.