ইলম শিক্ষা করার হাদীস

ইলম শিক্ষা করার হাদীস

ইলম দু’প্রকার। যেমন ১. দুনিয়াবী ‘ইলম ও ২. দ্বীনি ‘ইলম।দুনিয়ার শিক্ষা অর্জন না করলে ইহকালীন উন্নতি হাছিল হয় না, আর দ্বিণী ‘ইলম শিক্ষা না করলে পরকালের উন্নতি হাছিল হবে না। ইহকাল  অস্থথায়ী আর পরকাল চিরস্থায়ী।

মানুষ ইহকাল লাভের জন্য দুনিয়াবী ইলম লাভ করার নিমিত্ত হাজার হাজার টাকা খরচ করতে রাজী কিন্তু চিরস্থায়ী পরকালের মুক্তি লাভের জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করতে রাজি হয় না। সমাজের এ অবস্থার কারণ দ্বীনী ‘ইলমের অজ্ঞতা এবং পরকালের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস না থাকা। অথচ দ্বীনী ইলম অর্জনের জন্য রাসুল স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন “প্রত্যেক নর-নারীর উপর দ্বীনী ইলম শিক্ষা করা অবশ্য কর্তব্য(ফরয)।” এ ফরয ত্যাগ করলে দোজখে শাস্তি ভোগ করতে হবে।

শামীর ১ম খন্ডের ৪০ নং পৃষ্ঠায় লেখা আছে “ দ্বীনী ইলম দরকার পরিমাণ শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর পরযে ’আইন; অপরের উপকারের জন্য প্রয়োজনের বেশি শিক্ষা করা ফরযে কিফায়া; বিদ্যার সাগর হওয়া মুস্তাহাব।

বুখারী শরিফের হাদীসে আছে, রাসুলে কারীম (সাঃ) ইরশাদ করেন- “সমস্ত রাত জেগে থেকে নফল ইবাদত করার চেয়ে এক ঘন্টাকাল ইলম শিক্ষা করা উত্তম।

আমরা আজ নিজেরা ইলম শিক্ষা না করে নিজের জীবন যেমন নষ্ট করেছি তেমনি সন্তান সন্ততিদের দ্বীনী ইলম শিখাতে অনিচ্ছুক।

হাদীসে আছে “দ্বীনী ইলম শিক্ষা করতে সুদুর চীন দেশে যেতে হলেও সেখানে গিযে দ্বীনী ইলম শিক্ষা কর।”

সুপ্রিয় পাঠক চীন এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। সুতারাং আমরা এ সুযোগ হাত ছাড়া করব না।

আমরা যে সময়টুকু ইন্টারনেটে বিনোদনের জন্য কাটায় তার অল্প সময়টুকু আমাদের ওয়েবসাইটে বা ইসলামী ওয়েবসাইটে দিয়ে আমাদেরকে বিভিন্ন হাদীসমূলক পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন। কারণ আমি এক গুণাহগার বান্দা, দ্বীনী ইলম সম্পর্কে কোন জ্ঞান নেই। আমি যা পড়ি তা থেকে আপনাদের জন্য আমাদের সাইটে লিখি। আপনাদের এরকম কোন শিক্ষা বিষয়ক কোন লেখা থাকলে আমাদের ইমেল করুন। আমি তা পড়ে শিখব এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশ করব। ইনশাল্লাহ।