তথ্যপ্রযুক্তি আইন মানুষের মাঝে প্রচার না করলে অপরাধ বেড়ে যাবে

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার আইন শক্তিশালী এবং প্রচার না করলে অপরাধ প্রবণতা আরো বেড়ে যাবে।
মিডিয়া যেভাবে মানুষের হাতে হাতে ব্যবহার করা হচ্ছে সেভাবে মিডিয়ার ব্যবহারে আইন প্রচার ও প্রসার ঘটানো হয়নি। এই আইন জানার অভাবে যেমন ভুল করছে উচ্চ শিক্ষিত মানুষ তেমনি ভুল করছে সাধারণ মানুষ। তাছাড়া সামান্য অক্ষর জ্ঞান সম্পর্ন মানুষগুলোও ব্যাপকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো ব্যবহার করছে। কেউ ইচ্ছে করে অপরাধমুলক কাজ করছে, কেউ না জেনে ভুলবশত অপরাধ করে ফেলছে। কেউ প্রকাশে করছে কেউ গোপনে করছে। এদের মধ্য হয়তো কেউই জানে না যে এটা কোন ধরনের অপরাধের মধ্যে পড়ে কিনা। পড়লেও সেটা কোন ধারার আওতায় পড়ে। এই অপরাধের শাস্তি কি রকম? এই বিষয়গুলো না জানার কারণে মানুষের স্বেচ্ছাচারিতা বেড়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জগতে। আমি এখানে লিখছি যে বিষয় নিয়ে আমিও জানিনা এর বিধিনিষেধ সর্ম্পকে তেমন আইন। কারণ এর বিধিনিষধ সর্ম্পকে তেমন জোড়ালো আইন নাই।যেটুকু আছে তার প্রচারণা নাই। আমার তো জানার ইচ্ছাও নাই। প্রসাশন জানানোর প্রয়োজনও মনে করে না। যার ফলে অপরাধ মুলক ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর টনক নড়ে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষতে আরো এই জগতে অপরাধ প্রবণতা বেড়েই যাবে।

আমি বিশেষ করে facebook নিয়ে কিছু মারাত্মক তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
আমরা কিন্তু কেউ ফেসবুকের ব্যবহার জেনে তারপর ফেসবুকে আসিনা।মনে ইচ্ছে হলো একটি ফেসবুক একাউন্ট খুলে ফেলল।এর পর কেউ চালায় কেউ চালায় না। ফেসবুক ব্যবহার করতে করতে কিছু বিধি নিষেধ শিখে। ইচ্ছে হলো একটি ফেসবুক আইডি খুলে নিজের ছবি দিয়ে একটি একাউন্ট খুলে ফেলল। এক্ষেত্রে আমার জানা নাই যে এখান থেকে কত ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। তবে দিনে দিনে এটা ব্যবহারে কিছুটা বুঝতে পারে। কিন্তু বুঝার আগে যদি আপনে কোন বিপদে পড়ে জান? তখন কি হলো, আমার আইডি হ্যাক হয়ে গেছে। আমার প্রশ্ন আপনার হ্যাক হয়ে গেছে না আইডি হ্যাক করার সুযোগ করে দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে দু দিক থেকে সাবধান হওয়া উচিত। একদিকে যে আইডি ব্যবহার করবে তার সাবধান হতে হবে যে এখানে কি ধরনের সাবধনতা অবলম্বন করা দরকার।অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারের কিছু বিধিবিধান বেধে দেওয়া উচিত যে বিধি বিধান গুলো মানলে আপনে ফেসবুক চালাতে পারবেন। না হলে চালাতে পারবেন না।

আপনার ফেসবুক আইডির হ্যাক হওয়ার জন্য আপনেই দায়ী। ফেসবুক আইডির নিরাপত্তা দিতে না পারলে আপনার আইডি খুলটাও ঠিক নয়, আবার বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। এখন প্রশ্ন হলো বাংলাদেশ সরকারের কি সে ক্ষমতা আছে ফেসবুকের প্রতি। যদি না থাকে তাহলে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারে বাংলাদেশ সরকারের এ রকম আইন পাশ করা একান্ত প্রয়োজন। আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হক, চুরি হক, ছিনতাই হক, মারা যাক এর জন্য আপনেই দায়ী। এ রকম আইন মানতে পারলে আপনে বাংলাদেশে ফেসবুক বা অন্য মাধ্যম চালান। না হলে চালান না। এরপর শাস্তির বিধান করা এবং তা তৃণমুল পর্যায় পর্যন্ত প্রচার করা। আমরা শুধু শুনি তথ্যপ্রযুক্তি আইন তথ্যপ্রযুক্তি আইন। আসলে আইনটা কি এটাতো এখনো আমরা জানলাম না।এটা কি শুধু প্রশাসনের জানার দরকার না জনগণের জানা দরকার। নাকি উভয়ের জানা দরকার? আমরা জানার চেষ্টাও করিনা সরকারও মাঠ পর্যায়ে তা তেমন প্রচার করেনা। তবে আজ থেকে আমি তথ্যপ্রযুক্তি আইন জানার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।ইনশাল্লাহ্। এর আগে আমার জানা মতে আমি কোন তথ্যপ্রযুক্তি আইন অমান্য করিনি। করলেও ক্ষমা চাই।তথ্যপ্রযুক্তি আইন জানতে চাই জানাতে চাই। নিজে নিরাপদ থাকতে অপরকে নিরাপদ রাখতে চাই।আমি শুধু ফেসবুক নিয়ে কিছু কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এরকম আরো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আছে।সবক্ষেত্রে কিছু বাধ্যবাদকতা থাকা দরকার। তা না হলে সাধারণ মানুষের সাথে ভবিষৎ প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীরাও ধ্বংসের পথে যাবে এবং গেছে কিছুটা। সেগুলো আমারা চোখের আগে অবশ্যই কিছুটা লক্ষ করছি। তাই আমি যথাযথ কতৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করবো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার আইন জোড়ালো করা হক এবং সেই আইন মানুষের মাঝে উপযুক্তভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হক।যাতে আমরা একটি একাউন্ট খুলার আগে ভাবি এবং একাউন্ট খুলার পর তা সাবধানে ব্যবহার করি।
আমাদের সাইটের বিভিন্ন শিক্ষামুলক পোষ্ট দেখতে
এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ফেসবুক ও ইউটিউব লিংক দেখতে ফেসবুক এখানে ক্লিক করুন্।