বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এ্যাসাইনমেন্ট নং-১

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এ্যাসাইনমেন্ট নং-১ প্রথম সপ্তাহ। প্রিয় বন্ধুরা তোমাদের জন্য ২০২১ সালের এস এস সি প রিক্ষার ১০০% নির্ভাজ্জাল পি ডি এফ ফাইলসহ উত্তর দেওয়া হলো। নিচে পিডিএফ ফাইলের লিংক।

বিষয়: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।

এ্যাসাইনমেন্ট নং-১ (১ম সপ্তাহ)। (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এ্যাসাইনমেন্ট নং-১)

এ্যাসাইনমেন্ট শিরোনাম: “মানবজীবনে ইতিহাস” ( বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এ্যাসাইনমেন্ট নং-১)

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারণা:

 প্রতিটি মানুষ আত্ম-অনুসন্ধান করে। প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী জাতিসত্ত্বার পরিচয় জেনে গৌরববোধ করে। আমরা বাঙালি, আমাদেরও আছে গৌরবময় ইতিহাস, আত্মন্ত্রিণাধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, বিজয় ছিনিয়ে আনার ইতিহাস। প্রায় দুইশত বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং ২৩ বছরের পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতিতে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীনতা। বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম হয়েছে একটি নতুন স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশ। স্বীকার করতেই হবে- একজন মহান নেতা, একটি বজ্রকণ্ঠই ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধে আমাদের মূল প্রেরণা। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গৌরবময় মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে ও আত্ম-অনুসন্ধান করতে অথবা জাতিসত্ত্বার পরিচয়অনুসন্ধান করতে হলে ইতিহাস পড়তে হবে, চর্চা করতে হবে। কারণ ইতিহাস ঘটনার অনুসন্ধানকৃত, গবেষণালব্ধ, প্রতিষ্ঠিত সত্য উপস্থাপন করে।

ইতিহাস’ শব্দটির উৎপত্তি ইতিহ’ শব্দ থেকে যার অর্থ ‘ঐতিহ্য’। ঐতিহ্য এক অতীতের অভ্যাস, শিক্ষা, ভাষা, শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতি যা  ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষিত থাকে। এই ঐতিহ্যকে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে পৌছে দেয় ইতিহাস। ই এইচ, কাৰ-এর অষায় বলা যায়, ইতিহাস হলো  বর্তমান ও অতীতের মধ্যে এক অন্তহীন সংলাপ। বর্তমানের সকল বিষয়ই অতীতের ক্রমবিবর্তন  ও অতীত ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে । আর  অতীতের ক্রমৰিবৰ্তন ও ঐতিহ্যের বস্তুনিষ্ট বিবরণই  হলো ইতিহাস।  তবে এখনমান সময়ের ইতিহাস লেখা, যাকে বলে সাম্প্রতিক ইতিহাস। সুতারাং  ইতিহাসের পরিসর সুদুর  অতিত  থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিস্তৃত।

ইতিহাস শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে এরূপ দাঁড়ায়, ইতি + আস। যার অর্থ এমনই ছিল বা এরুপ ঘটছিল। ঐতিহাসিক ড, জনসনও  ঘটে যাওয়া ঘটনাকেই ইতিহাস বলেছেন। তার মতে, যা কিছু ঘটে তাই ইতিহাস। যা ঘটে না ইতিহাস নয়।

গ্রীক শব্দ ‘হিস্টরিয়া (Historig) থেকে ইংরেজি হিস্টরি (History) শব্দটির উৎপত্তি, যার বাংলা প্রতিশব্দ  হচ্ছে  ইতিহাস। হিস্টরিয়া’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন গ্রীক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস।  তিনি ইতিহাসের জনক হিসেবে খ্যাত। তিনিই প্রথম তাঁর গবেষণাকরে নামকরণে এ শব্দটি ব্যবহার করেন, যার আভিধানিক অর্থ হলো সত্যানুসন্ধান বা  গবেষণা। তিনি বিশ্বাস করতেন, ইতিহাস  হলো – যা সত্যিকার অর্থে ছিল  বা সংঘটিত হয়েছিল   তা অনুসন্ধান  করা ও লেখা। তিনি  তার  গবেষণায় গ্রীস  ও  পারস্যের মধ্যে  সংঘটিত যুদ্ধের বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করছেন। এতে তিনি প্রাপ্ত তথ্য , গুরত্বপুর্ণ  ঘটনা এবং গ্রীসের  বিজয় গাঁথা  লিপিবদ্ধ করুন। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম এ ঘটনা ভুলে না যায়, এ বিবরণ যেন তাদের  উৎসাহিত করে এবং দেশপ্রেম কাজ করে। হেরোডোটাসই প্রথম  ইতিহাস এবং অনুসন্ধান—এ দুটি ধারণাকে সংযুক্ত করেন। ফলে ইতিহাস পরিণত হয় বিজ্ঞানে, পরিপূর্ণভাবে হয়ে ওঠে তথ্যনির্ভর এবং গবেষণার বিষয়ে।

 প্রকৃতপক্ষে মানব সমাজের অনক ঘটনাপ্রবাহই   হলো ইতিইসি । ইতিহাসবিদ র‍্যাপসন বলেছেন, ইতিহাস হলো ঘটনার বৈজ্ঞানিক এবং ধারাবাহিক বর্ণনা।

আধুনিক ইতিহাসের জনক জার্মান ঐতিহাসিক  লিওপোড ফন মনে করেন, প্রকৃতপক্ষে যা ঘটেছিল  তাৱ অনুসন্ধান ও তার সত্য  বিবারণই  ছিল ইতিহাস । সুতরাং ইতিহাস হচ্ছে মানব সভ্যতার বিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন  কর্মকান্ডের  ধাৰাবাহিক ও সত্যনিষ্ট  বিবরণ। সঠিক ইতিহাস সবসময় সত্যকে নির্ভর করে রচিত হয়।

ইতিহাস রচনার উপকরণ ও প্রকারভেদ:

যেসব তথ্য-প্রমাণের ওপর ভিত্তি  করে ঐতিহাসিক সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব, তাকেই ইতিহাসের উপাদান বলা হয়। ইতিহাসের  উপাদানকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা : লিখিত উপাদান ও অলিখিত উপাদান।  ইতিহাস রচনার লিখিত উপাদানে মধ্যে রয়েছে সাহিত্য, বৈদেশিক বিবরণ, দলিলপত্র ইত্যাদি। বিভিন্ন দেশি- বিদেশি সাহিত্যকর্মেও তৎ কালীন সময়ের কিছু পাওয়া যায়। যেমন বেদ,কৌটিল্যের অর্থশাত্র’, কলহনের রাজতরাঙ্গিনি’, মিনহাজ-উস-সিরাজের তবকাত-ই-নাসিরী’, আবুল ফজল-এর আইন-ই-আকবরী ইত্যাদি।

বিদেশি পর্যটকদের বিবরণ সব সময়ই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলে বিবেচিত হয়েছে। যেমন- পঞ্চম থেকে সপ্তম শতকে বাংলায় আগত চৈনিক পরিব্রাজক যথাক্রমে ফা-হিয়েন, হিউয়েন সাং ও ইৎসিং-এর বর্ণনা। পরবর্তী  সময়ে আফ্রিকান পরিব্রাজক ইবনে বতুতাসহ অন্যদের লেখাতেও এ অঞ্চল  সম্পর্কে বিবরণ পাওয়া গিয়েছে । এসব বর্ণনা থেকে তুৎকালীন সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি, ধর্ম, আচার-অনুষ্ঠান সম্পর্কে অনেক তথ্য জানা যায় ।

সাহিত্য উপাদান

 (ক) জীবনী গ্রন্থঃ  সন্ধ্যাকর নন্দীর বামচৰিত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর  রহমানের অসমাপ্তআত্মজীবনী ইত্যাদি।

 (খ) দেশীয় সাহিত্য : কলহনের রাজতরাঙ্গিনী, কালিদাসের মেঘদূত ইত্যাদি।

(গ) বিদেশীদের বিবরণী: মেগাস্থিনিসের ইণ্ডিকা’, ফা-হিউয়েন সাং এর সি-ইউ-কি ইত্যাদি।

(ঘ)প্রা চীন ধর্মগ্রন্থঃ রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণ ইত্যাদি।

(ঙ ) অন্যান্য প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, সন্ধিচুক্তি, কৌটিল্যের অর্থশায় ইত্যাদি।

২ অলিখিত উপাদানঃ  (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এ্যাসাইনমেন্ট নং-১)

প্রত্মতাত্তিক  যেসব বস্তু বা উপাদান থেকে আমি বিশেষ সময়, ঘন বা ব্যক্তি সম্পর্কে বিভিন্ন  ধরনের ঐতিহাসিক তথ্য  পাই, সেই বস্তু বা উপাদানই প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন। প্রত্মতত্ত্ব  নিদর্শনসমূহ মূলত অলিখিত উপাদান।  

 (ক) লিপিমালা : সরকারি লিপি যুদ্ধৰি, ভূমিদান, রাজার

আদেশ, রাজার নাম, রাজ্য জয়, বাজত্বকাল, ধর্ম বিশ্বাস প্রতি সম্পর্কে জানা যায়।

 বেসরকারি শিলি : এগুলো  সাধারণত পাথরে মন্দিরের গাঁয়ে দেয় লেখা হতো ।

 (খ) মুদ্রা : মুদ্রায় রাজার নাম, সন-তারিখ, ৰাজার  মূর্তি, নানা দেব-দেবীর মূর্তি খোদাই করা থাকত। যা থেকে রাজার সময়কাল, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সমাজব্যবস্থা ও ধর্মবিশ্বাস প্রভৃতি সম্পর্কে ধারণ পাওয়া যায়।

 (গ) স্থাপ্ত্য-ভাস্কর্য  ও স্মৃতিসৌধঃ প্রত্মকেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত প্রাচীন সমাধি, স্মৃতি,প্রাচীন শিল্পকীর্তি, দেব-দেবীর মূর্তি, মৃৎশিল্প, মৃৎপাত্র তৈজস্পত্রাদি প্রাচীন ভারতের প্রত্মতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে

(ঘ) প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষ: বগুড়ার মহাস্থানগড়, নরসিংদীর উয়ারী বটেশ্বর  ইত্যাদি।

(ঙ) প্রচলিত বিশ্বাস বা প্রথা : অতিকথন, রূপকথা, গান, কাহিনিমালা ইত্যাদি। বেদ প্রথম দিকে গুরু-শিষ্য

পরম্পরায় মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। এজন্য একে শ্রুতি’ বলা হতো । পরবর্তীকালে একাধিক রচয়িতা যেমন

: ঋষি বশিষ্ট, বিশ্বামিত্র, ভরদ্বাজ, রামদেব, ভৃগু প্রমুখ দীর্ঘদিন ধরে বেদ রচনা করেন

। (চ) পুঁথি : একসময় পুঁথিও মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল।

 এ সমস্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিশ্লেষণের ফলে সে সময়ের অধিবাসীদের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ধারণা করা সম্ভব প্রাচীন অধিবাসীদের। সভ্যতা, ধর্ম, জীবনযাত্রা, নগরায়ণ, নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র, ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা, কৃষি উপকরণ ইত্যাদি সম্পর্কে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় সিন্ধু সভ্যতা, বাংলাদেশের মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, ময়নামতি ইত্যাদি স্থানের প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শনের কথা। নতুন নতুন প্রত্নতত্ত্ব আবিষ্কার বদলে দিতে পারে একটি জাতির ইতিহাস। যেমন- সম্প্রতি নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নতত্ত্ব আবিষ্কার। ঐ অঞ্চলের প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শনে প্রমাণ হয়েছে যে, বাংলাদেশে আড়াই হাজার বছর পূর্বেও নগর সভ্যতার অস্তিত্ব ছিল। এই আবিষ্কারের ফলে বাংলার প্রাচীন সভ্যতার নবদিগন্ত উন্মােচিত হতে যাচ্ছে। বদলে যাচ্ছে বাংলার প্রাচীন সভ্যতা সম্পর্কে অনেক ধারণা। অদূর ভবিষ্যতে নতুন ভাবে লিখতে হবে বাংলার প্রাচীন ইতিহাস।

ইতিহাসের প্রকারভেদ মানব সমাজ সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন বিষয়ের ইতিহাস লেখা হচ্ছে। ফলে সম্প্রসারিত হচ্ছে ইতিহাসের পরিসর। ইতিহাস বিরামহীনভাবে অতীতের ঘটনা বর্তমান প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়। সেক্ষেত্রে ইতিহাসকে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করা কঠিন। তাছাড়া ইতিহাসের বিষয়বস্তুতে মানুষ, মানুষের সমাজ, সভ্যতা ও জীবনধারা পরস্পর সম্পৃক্ত এবং পরিপূরক। তারপরও পঠন-পাঠন, আলােচনা ও গবেষণাকর্মের সুবিধার্থে ইতিহাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ভৌগোলিক অবস্থানগত ও বিষয়বস্তুগত ইতিহাস।

 ১. ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক বা ভৌগোলিক অবস্থানগত ইতিহাস : যে বিষয়টি ইতিহাসে স্থান পেয়েছে তা কোন প্রেক্ষাপটে রচিত-স্থানীয়, জাতীয় না আন্তর্জাতিক? এভাবে ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে শুধু বোঝার সুবিধার্থে ইতিহাসকে আবারও তিন ভাগে ভাগ করা যায় যথা- স্থানীয় বা আঞ্চলিক ইতিহাস, জাতীয় ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক ইতিহাস।

২. বিষয়বস্তুগত ইতিহাস: কোনো  বিশেষ বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে যে ইতিহাস রচিত হয়, তাকে বিষয়বস্তুগত ইতিহাস বলা হয়। ইতিহাসের বিষয়বস্তুর পরিসর ব্যাপক। তবু সাধারণভাবে একে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়, যথা- রাজনৈতিক ইতিহাস, সামাজিক ইতিহাস, অর্থনৈতিক ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ইতিহাস ও সাম্প্রতিক ইতিহাস।

ইতিহাসের গুরুত্ব: মানবসমাজ ও সভ্যতার ধারাবাহিক পরিবর্তনের প্রমাণ ও লিখিত দলিল হলো ইতিহাস। ঐতিহাসিক ভিকো (Vico) মনে করেন, মানব সমাজ ও মানবীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎপত্তি ও বিকাশই ইতিহাসের  বিষয়বস্তু।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, মানুষের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন যা মানব সমাজ-সভ্যতার উন্নতি ও অগ্রগতিতে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে, তা সবই ইতিহাসভুক্ত বিষয়। যেমন- শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতি, দর্শন, স্থাপত্য, রাজনীতি, যুদ্ধ, ধর্ম, আইন প্রভৃতি বিষয়, সামগ্রিকভাবে যা কিছু সমাজ-সভ্যতা বিকাশে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করেছে, তা-ই ইতিহাসের বিষয়বস্তু।

মানব জীবনে ইতিহাস চর্চার প্রয়োজনীয়তা:

মানবসমাজ ও সভ্যতার বিবর্তনের গবেষণালব্ধ সত্যের উপস্থাপনই ইতিহাস। ইতিহাস পাঠ মানুষকে অতীতের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান অবস্থা বুঝতে এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনুমান করতে সাহায্য করে। ইতিহাস পাঠের মাধ্যমে আমরা মানবসমাজের ক্রমবিকাশ ও সভ্যতার বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জানতে পারি। তাই দেশ ও জাতির স্বার্থে এবং ব্যক্তির প্রইয়োজনে ইতিহাস পাঠ অত্যন্ত জরুরি।

জ্ঞান ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করে : অতীতের সত্যনিষ্ঠ বর্ণনা মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আর এ বিবরণ যদি হয় নিজ দেশ-জাতির সফল সংগ্রাম ও গৌরবময় ঐতিহ্যের, তাহলে তা মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। একই সঙ্গে আত্মপ্রত্যয়ী, আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে। সে ক্ষেত্রে জাতীয়তাবোধ, জাতীয় সংহতি সুদৃঢ়করণে ইতিহাস পাঠের বিকল্প নেই।

সচেতনতা বৃদ্ধি করে : ইতিহাস – জ্ঞান মানুষকে সচেতন করে তোলে। উত্থান-পতন এবং সভ্যতার বিকাশ ও পতনের কারণগুলো  জানতে পারলে মানুষ ভালো – মন্দের পার্থক্যটা সহজেই বুঝতে পারে। ফলে সে তার কর্মের পরিণতি সম্পর্কে সচেতন থাকে।

দৃষ্টান্তের সাহায্যে শিক্ষা দেয় : ইতিহাসের ব্যবহারিক গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষ ইতিহাস পাঠ করে অতীত ঘটনাবলির দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিতে পারে। ইতিহাসের শিক্ষা বর্তমানের প্রয়ােজনে কাজে লাগান যেতে পারে। ইতিহাস দৃষ্টান্তের মাধ্যমে শিক্ষা দেয় বলে ইতিহাসকে বলা হয় শিক্ষণীয় দর্পণ ।। ইতিহাস পাঠ করলে বিচার-বিশ্লেষণের ক্ষমতা বাড়ে, যা দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সাহায্য করে। ফলে জ্ঞান চর্চার প্রতি আগ্রহ জন্মে। ( শেষ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এ্যাসাইনমেন্ট নং-১)

নিচের গুরত্ব পুর্ণ লিংকগুলো দেখে আসতে পারেন।

১০ম শ্রেণি/এসএসসি ২০২২ এসাইনমেন্ট – ভূগোল ও পরিবেশ

ষষ্ঠ শ্রেণী চারু ও কারুকলা ৮ সপ্তাহ উত্তর।

Class six 8 weeks english answer

৬ষ্ঠ শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট ২০২১/6th week answer

৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর।

৯ম/নবম শ্রেণীর ৪র্থ সাপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর

৬ষ্ঠ শ্রেণী চারু ও কারুকলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

সোনামণিদের ১০টি গুণাবলী

পরিসংখ্যানের জনগুরত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

খুব গুরত্বপূর্ণ মনকাড়া সর্বদা পালনীয় কতগুলো উপদেশ।

হাশরের ময়দানে মানুষ ১২টি কাতারে বিভক্ত হবে

পিডিএফ ডাউনলোড দিতে এ্যাসাইনমেন্টের উত্তর ২০২২ ভূগোলের।

Best Quran Recitation in the World 2016 Emotional Recitation

Class six 8 weeks english answer pdf file download here.

Download pdf file here

Mostafa Dewan

I can work with SEO, (off-page SEO) Link building, Facebook marketer, content writing, content rewrite, word press install, blog comment, backlink creation, article submission, blog post, etc. Any product or business I can reach millions of people through my work skills I understand the mentality of the customer. I am a very attractive and effective web content writer to promote any business. I work with full responsibility of a large organization able to work with self-direction and motivation. I find peace in the middle of my work. Thank you by Mostafa Dewan bdpnpc 01736265696 .

error

দয়া করে শেয়ার করবেন।

RSS
Follow by Email