মজিব শতবর্ষ উপলক্ষে এক বেকারের সামান্য আয়োজন ও অনুরোধ।

মজিব শতবর্ষ

মজিব শতবর্ষ উপলক্ষে এক বেকারের সামান্য আয়োজন ও অনুরোধ।
সম্ম্যানিত সুধি, মজিব শতবর্ষের সংগ্রামী সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। মজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আমি দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকি। আমি সামান্য প্রাইভেট টিউশনি করে আমার পরিবার ও সংসার চালায়। আমি কোন সরকারী বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবি নয়। প্রাইভেটের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আমি প্রতি বছর ১৭ মার্চ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিনটি পালন করে থাকি।

প্রতি বছরের মত এবার ও দিন টি খুব আনন্দের সাথে পালন করে থাকি। সকাল নয়টা থেকে শুরু করি চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা। ১০ঃ৩০ টা থেকে ছোট বাচ্চাদের নিয়ে শুরু হয় বিভিন্ন খেলাধুলা। ১- টার আযানের পর খাওয়া দাওয়া শুরু করি। খাওয়া দাওয়া শেষে শুরু করি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কবিতা, গান, গজল, গল্প, অভিনয়, এবং গানের তালে তালে নাচ। সেখানে ছাত্রছাত্রীসহ উপস্থিত হয় তাদের বাবা মা, প্রতিবেশি ও রাস্তার লোকজন। আমি সবার মাঝে আমাদের বাঙ্গালির প্রাণের নেতা, প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর  পরিচিতি তুলে ধরি।

দিন শেষে আমার সাধ্যমত বিজয়ী সবাইকে পুরষ্কার বিতরণ করি। এছাড়া উপস্থিত সবার হাতে হাতে একটি করে কলম উপহার দিই।। প্রিয় পাঠক আমার লেখার শিরোনাম ছিল মজিব শতবর্ষ উপলক্ষে এক বেকারের সামান্য আয়োজন ও অনুরোধ। এখানে সামান্য আয়োজনের দুটি কথা তুলে ধরলাম।এবার অনুরোধের কথা হলো;

আমি একজন নিবন্ধন্দারী। ষষ্ঠ নিবন্ধন পরিক্ষায় পাশ করে শত চেষ্টা করেও চাকরি পায়নি।সর্বশেষ হাইকোটে আমরা সবাই মামলা করি। মামলায় হাইকোট থেকে আমাদের পক্ষে রায় আসে। কিন্তু তার পরও নিবন্ধন ধারীদের চাকরি না দিয়ে নতুন করে নিবন্ধনের পরিক্ষা নেয়।

এভাবে প্রতি-বছর আমাদেরকে বঞ্চিত করে আসছে এই NTRCA নামক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। আমি বেশি কথা লিখবো না। দুঃখের ও প্রতারণার ইতিহাসটা তুলে ধরলাম না। শুধু অনুরোধ, মাননীয় জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট , হে- মানবতার দিশারী, গরিবের বন্ধু, নিঃআশ্রয়ের আশ্রয় দানকারী, অসহায়ের সহায়ক আমরা নিবন্ধনধারীদের নাজ্য অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে বাংলার বন্ধু শেখ মজিব শতবর্ষকে স্বার্থক ও সফল করুন।

এছাড়াও এই নিবন্ধন  ধারীদের চাকরি প্রদানের মাধ্যমে ঘরে ঘরে চাকরি প্রদানের প্রতিশ্রুতির অনেকটা পুরণ সম্ভব। ঘরে ঘরে চাকরি প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদানের ফলে আমরা যে আশায় বুক বেধে ছিলাম ও আত্মীয় স্বজন সবাই মিলে একযোগে ভোট দিয়ে ছিলাম সে আশা এখনো ত্যাগ করিনি। কারণ আপনে অনেক বিচক্ষণ ও বুদ্ধি মতি।

ইতিমধ্য তার অনেক প্রমাণ দেখিয়েছেন। সেই প্রমাণাদীর ভিত্তিতে আমরা অসহায় এখনো আশায় বুক বেধে আছি। আপনে আমাদের চাকরি প্রদানের মাধ্যমে আবারও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী বিচক্ষণতার পরিচয় দিবেন। আমি কোন রাজনৈতিক দলের সংগে যুক্ত নয়। তবে আমি নিজ থেকে ভালবেসে প্রতি-বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে আমার ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে এ দিন বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করে থাকি।

কোন লোভে নয়। কেউ কোন দিন বলতেও পারবে না। আমি শুধু নতুন প্রজন্মের নিকট দেশের জন্য আত্মদান কারী ব্যক্তিদের পরিচয় তুলে ধরতে শিক্ষক হিসাবে আমার দায়িত্ব এটা মনে করে এ দিন টি পালন করে থাকি। প্রতি-বছর ছাত্রছাত্রীদের থেকে কিছু চাদা নিয়ে অনুষ্ঠান পালন করে থাকি। কিন্তু এবার আমি কোন চাদা গ্রহণ করিনি বা ধরনি।

আরও বিশেষ কথা হলো এবার এক বিশেষ ব্যক্তির সম্ম্যানে আমার আত্মীয় স্বজন সকলকে দাওয়াত দিয়েছিলাম। এবং প্রতিবেশি প্রত্যেক পরিবার থেকে একজন করে দাওয়াত দিয়েছিলাম।আল্লাহর রহমতে ডালভাতের দাওয়াতটি খুব সুন্দরভাবে সু-সম্পর্ণ করতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ।

ভবিষতে আরো বড় অনুষ্ঠান পালন করবো ইনশাল্লাহ। পরিশেষে আবারো মজিব শতবর্ষ উপলক্ষে এক বেকারের সামান্য আয়োজন ও অনুরোধ আলোচনায় নিবন্ধন ধারীদের সঠিক অধিকার এর দাবী পুরণের আশায় ভুলত্রটি ক্ষমা চেয়ে এখানে শেষ করছি।
নিবেদনে মোঃ মোস্তাফা দেওয়ান।

শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন লেখা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
যেকোন প্রশ্ন করতে ও জানাতে এখানে ক্লিক করুন
আমাদের ফেসবুক পেজ দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

if you want to listen audio this text you follow this link

this post youtube video link

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.