যদি শাস্তি ছাড়াই শিশুকে বড় করতে চাই তবে বেশ কয়েকটি বিষয়ে শুরু

যদি শাস্তি ছাড়াই শিশুকে বড় করতে চাই তবে বেশ কয়েকটি বিষয়ে শুরু….আমরা জানি এক সময় স্কুলে খুব কঠোরভাবে লেখাপড়া করানো হতো।গল্প শোনা আছে যে, শিক্ষক যদি কোন বখাটেকে শাসন করতো তাহলে ঐ বখাটে শিক্ষককেও অপযস্ত করার ফন্দি আটতো।আমার বাবা গল্প করছিল যে একদিন এক ছাত্রকে শয়তানি করার দায়ে শিক্ষক কঠিনভাবে তাকে প্রহার করেছেন।ছাত্রটির নাম উল্লেখ করলাম না। কারণ ঘটনাটি অনেক দিনের। এরপর ঐ ছাত্র রাস্তার পাশে ঝোপঝাড় আছে,বেতের জোপ এর মধ্যে লুকিয়ে থাকে।

শিক্ষক যখন ঐ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল তখন ঐ ছাত্র শিক্ষককে লম্বা লাঠি দিয়ে দু – তিন ঘা আঘাত করে পালিয়ে যায়।তবে এটা সত্য আগের শিক্ষককেরা যেমন শাসন করেছেন তেমন লেখা হয়েছে।তিনিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্র ধরে এনে লেখাপড়ায় আগ্রহী করে তুলেছেন।যারা শিক্ষককের শাসন সহ্য করে লেখা পড়া করেছেন তারা কালক্রমে বড় বড় পদে এখন অবস্থান করছেন।

এখন তো বিদ্যালয়ে ছাত্রদের আঘাত করা নিষিদ্ধ। এমন কি মানষিক আঘাত করাও কঠিন অপরাধ। এতে কিছু ভালও আছে আবার কিছু খারাপও আছে। খারাপটা হলো গা বাঁচানো।এড়িয়ে চলা। যার জন্যে আর বিদ্যালয়ে তেমন আগ্রহী হচ্ছে না।সবাই এখন বেসরকারি স্কুলে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করাচ্ছে।

এতো গেল বিদ্যালয়ের ব্যাপার। আমি এখন পরিবারের বিষয় নিয়ে কিছু গুরত্বপুর্ণ কথা বলবো।

কথাটি হলো কিভাবে পরিবারে সন্তানকে শাস্তি ছাড়াই মানুষ করা যায়।আসলে ব্লগ লেখার স্বার্থে আমি অনেক কিছু পড়েছি বলে অনেক কিছু শিখেছি।নিম্নের বিষয় গুলো আসলে খুব ভাল্। তাই আপনাদের উদ্দেশ্যে পোষ্টটি শেয়ার করলাম।আমার পোস্টের শিরোনাম “যদি শাস্তি ছাড়াই শিশুকে বড় করতে চান।”

যদি শাস্তি ছাড়াই শিশুকে বড় করতে চাই তবে বেশ কয়েকটি বিষয়ে শুরু থেকেই সচেতন হতে হবে।পরিকল্পনাও অনেক আগে থেকেই করতে হবে। পরিকল্পনাগুলো নিম্নে তুলে ধরলাম।

১. সুখী-সুন্দর দাম্পত্য ও পরিকল্পিত গর্ভধারণ ।

২. গর্ভধারণের জন্য প্রয়োজনীয় শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি।

৩. নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রসব।

৪. গর্ভকালীন মায়ের আচরণ ও সেবাযত্ন।

৫. শিশুর ঘুম ও খাওয়া।

৬. গোসল, নখ কাটা পোশাক পরিবর্তন ।

৭. মা ও শিশুর পোশাক নির্বাচন ।

৮. এসময় মা-শিশুর পার্টি ও পোশাক।

 ৯. শিশুর খেলাধুলা ।

১০. ঝুঁকিপূর্ণ জিনিসপত্র সরিয়ে রাখা।

১১. যে জিনিস ধরলে বা নষ্ট করলে আপনি বিরক্ত হবেন এমন জিনিস

 শিশুর দৃষ্টিসীমার বাইরে রাখা।

১২. যেসব কাজ করলে মায়েদের নিজেদের মেজাজ খারাপ হয় তা থেকে বিরত থাকা।

 ১৩. প্রশংসা পাওয়ার লোভে অকারণে অতিরিক্ত সাংসারিক ও পারিবারিক চাপ না নেয়া ।

১৪. আশপাশের মানুষদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা।

১৫.ঝামেলা হয় এমন মানুষজনদের সঙ্গ এড়িয়ে চলা ।

 ১৬. শিশু অযাচিত আদর ও শাসন থেকে দূরে রাখা।

১৭. শিশুর সঙ্গে আচরণের  বিষয়ে অন্যদের সতর্ক করা।

১৮. প্রয়োজনে কঠোর হওয়া ।

১৯. শিশুর সুখ-দুঃখ শুধুই বাবা-মায়ের মাঝে আলোচনা করাই ভালো।

২০. শিশুর লেখাপড়া।

২১. সর্বোপরি শিশুকে কোনো প্রকার করুণা নয়, শ্রদ্ধা নিয়ে প্রতিটি কাজে সাহায্য করা।

প্রিয় পাঠক উপরের বিষয়গুলো মত আরো শিক্ষণীয় পোষ্ট দেখত আমাদের সাথে থাকুন।শিক্ষণীয় পোষ্ট দেখতে ক্লিক করুন এখানে।

যেকোন বিষয়ে জানতে ও জানাতে এবং প্রশ্ন করতে আমাদের এই লিংকে যান।

আমাদের ফেসবুক পেজ দেখতে ক্লিক করুন এখোনে

 

3 thoughts on “যদি শাস্তি ছাড়াই শিশুকে বড় করতে চাই তবে বেশ কয়েকটি বিষয়ে শুরু

Comments are closed.