শিক্ষা:- একটা খুব দরকারী শিক্ষাই তারা দেয় না।

শিক্ষা:- “একটা খুব দরকারী শিক্ষাই তারা দেয় না।” দরকারী শিক্ষা দেয় না শিরোনামে আজকের পোষ্ট মুলত সকল ধরনের পরিচালক, অভিভাবক, শিক্ষক, বাবা – মা সবার জন্য খুব সুন্দর একটা পোষ্ট।একটু সময় দিয়ে পড়েন আশা করি সময় নষ্ট হবে না।পোষ্ট সংগৃহীত। লিখেছেন মোস্তাক আহমেদ “দৃষ্টিভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে” নামক বই।

বাবা-মা সন্তানদের শিক্ষকরা ছাত্রদের এবং কর্মকর্তারা অধীনস্থদের অনেক কিছুই শিক্ষা দেন্। কিন্তু একটা খুব দরকারী শিক্ষাই তারা দেয় না । বার্থতা নয়, বার্থতার প্রতি আমাদের নেতিবাচক মনোভাবই আমাদের চরম শত্রু।বার্থতার ভয়ে আমরা অনেকেই এগুতে পারিনা।এ বিষয়ে শিশুরা কিন্তু বেপোরোয়া।প্রথমে তারা হামাগুড়ি দেয়।তারপর ধীরে ধীরে দাড়াবার চেষ্টা করে।এসব করতে গিয়ে তারা পড়ে যায়, হাত পা কেটে যায়। কিন্তু কিছুতেই তারা হাল ছেড়ে দেয় না।তার পর যখন তারা দৌড়াতে শিখে তখন তারা উচুতে উঠতে শিখে।এসব করতে গিয়ে তারা যদি পড়ে যায় এমন কি হাত পা ভেঙ্গে যায় তবুও তারা হাল ছেড়ে দেয় না্।এর কারণ হল তারা কখনো বার্থতার ভয় করে না বা এসব চিন্তা ভাবনা তাদের কল্পনায় ধরা দেয়।এভাবে তারা ধাপে ধাপে এগিয়ে যায় এবং সাফল্য লাভ করে।কেউ যদি বলেন যে, সে সকল বিষয়ে সমান পারদর্শী।কোন বিষয়ে ভুল করে না, তাহলে তার মতিষ্কের সুস্থতা সর্ম্পকে সন্দেহ থেকে যায়। আমার লেখার শিরোনাম শিক্ষা:- একটা খুব দরকারী শিক্ষাই তারা দেয় না।

জীবন যুদ্ধে আমরা বিভিন্ন সমস্যার,প্রশ্ন ও ধাঁধার সম্মুখীন হই। কিন্তু এর সমাধান যে কি হবে তা কেউ বলে দেয় না।জীবন যুদ্ধে চলতে চলতে, ধাক্কা খেতে খেতে আমরা অনেক কিছুই শিখি।ভুল করি, আবার ভুল থেকেই শিক্ষা নিই কিভাবে ভুল এড়ানো যায়।এভাবে আমাদের অভিজ্ঞতা বাড়ে।ভবিষৎতে ভুল করবার সম্ভবনা কমে যায়।সুতারাং অমিও শিখি এবং অপরকে শিখায় কিভাবে ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে উন্নত করা যায়।ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার মুলে আমাদের বাল্যকালের পরিবেশ অনেকাংশে দায়ী।

মনে করে দেখুন ছোট বেলায় আপনি কোন ভুল বা অন্যায় করে ফেললে আপনার বাবা মা, গুরুজন বা সমাজ আপনার সঙ্গে কী রকম ব্যবহার করতেন।তারা কি ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে তা থেকে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিতেন, নাকি সত্যিই আপনাকে ভয় দেখাতেন। অনেক ক্ষেত্রেই তারা ভুল করার ভয়ানক পরিস্থিতির কথা বলতেন, এবং এটিই আমাদের প্রধান ক্ষতিকারক দিক।

বাবা-মা সন্তানদের শিক্ষকরা ছাত্রদের এবং কর্মকর্তারা অধীনস্থদের অনেক কিছুই শিক্ষা দেন্। কিন্তু একটা খুব দরকারী শিক্ষাই তারা দেয় না।সেটা হল কিভাবে ‍ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।বাস্তব জগতে আমরা নিজেরা কোন কাজে কোন কারণে অকৃতকার্য হলে নিজের উপর অকারণে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠি।নিজেদের তু্চ্ছ জ্ঞান করি এবং হাল ছেড়ে দিই। আমাদরে কাজের যোগ্যতা নাই বলে মন্তব্য করি।সত্যিই সেই একই        মা্নসিকতা নিয়ে বাবা মারা সন্তানদের, শিক্ষকরা ছাত্রদের কর্মকর্তারা অধীনস্থদের অকৃর্তকার্যতাকেও দেখি।এর ফলে এর ফল হয় বিষময়। ছেলেমেয়েদের,ছাত্রদের ও অধীনস্থদের যাতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে সেজন্য আপনার উচিত তাদেরকে এমন ভাবে গড়ে তোলা দরকার যাতে তারা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্য বলে প্রমাণিত করতে পারে। আমার লেখার শিরোনাম শিক্ষা:- একটা খুব দরকারী শিক্ষাই তারা দেয় না।

মনে রাখবেন, যোগ্য ব্যাক্তিরাও ভুল করেন। তবে কেবল সাধারণ লোকদের সাথে তাদের পার্থক্য হল এই যে, যোগ্য বাক্তিরা ভুল করলে মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকে না বা নিজেকে বা অন্যকে দোষ দিয়ে কালক্ষেপন করেন না।তারা বিশ্লেষণ করে ভুলটা কেন হল? কী করলে ভবিষৎতে ভুল হবার সম্ভবনা থাকবে না।তার ভুলটাকে কাজে লাগান। তার থেকে যতটা পারেন শিক্ষা নেন।ইংরেজিতে একটা কথা আছে, প্র্যাকটিস মেকস এ মান পারফেক্ট্।কাজেই নিজের মনোভাবের আমুল পরিবর্তন করুন।ভুল করে লজ্জা পাবার দরকার নেই্। ভুল তো ভাল অভিজ্ঞতা অর্জনের একটা পর্যায় মাত্র।আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে একটা অলৌকিক শক্তি আছে। সে শক্তিই আপনাকে সঠিক রাস্তায় চলতে সাহায্য করবে।

প্রিয় ভিজিটর পোষ্টটি মুলত আমি বার বার পড়ছি এবং তার পর আপনাদের উদ্দ্যেশে আমার সাইটের মাধ্যমে তুলে ধরছি।

যে কোন বিষয়ে প্রশ্ন ও উত্তর জানতে ও জানাতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। আমাদের প্রশ্ন করার লিংক দেখতে ক্লিক করুন।

আমাদের সাইটে মুলত শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা্।যা বাবা, মা, অভিভাবক,শিক্ষক এবং ছাত্রদের জন্য খুব দরকারী। এরকম আরো শিক্ষা বিষয়ক কিছু দেখতে ক্লিক করুন এখানে।

আমাদের ফেসবুক পেজ দেখতে ক্লিক করুন এখানে

আমার লেখার শিরোনাম শিক্ষা:- একটা খুব দরকারী শিক্ষাই তারা দেয় না।

সমালোচনা নয় সংশোধন করুন।