শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের দাঁতের যত্ন।

প্রিয় পাঠক সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন।আজকে আমি শিশুদের দাঁতের যত্ন প্রসংগে লিখবো।বিষয়:শিশুদের-ছোট বাচ্চাদের দাঁতের যত্ন। দুদিন থেকে আমার এক প্রথম শ্রেণীর ছা্ত্রী পড়তে আসছে না। আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম তার মারিফুলে মুখ একদিকে বাকা হয়ে গেছে।চিকিৎসাও নিয়েছে স্থানীয় চিকিৎসকের নিকট থেকে। আমি বললাম কেন এমন হল? তারা বললেন মারির দাঁতে খুব ব্যাথা করছে। সমস্ত রাত ঘুম নাই ব্যাথায়। আমি বললাম দাত ব্রাশ করো না। স্যার তিন থেকে ব্রাশ করা হয়নি।

যাহোক প্রিয় পাঠক আমি কোন শিক্ষক নয়। প্রাইভেট টিউশনি করে চলি। প্রয়োজনে বাচ্চাদের খোঁজ নিই।কঠিন আন্তরিকতার সাথে পড়িয়ে বাড়ি বাড়ি খোঁজ নিয়ে অনেকের ভাল ফলাফল নিয়ে আসছি।

একটি কথা না বললে নয়-আমাদের গ্রামের বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত ১৯৯৩ সালে।আজ পর্যন্ত কোন বৃত্তি নেই।

আমি অধম অনেক পরিশ্রম করে দুটি বৃত্তি আল্লাহর রহমতে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।অবশ্য ছাত্রছাত্রীদের বাবা মাকে যা বলছি তাই শুনছে।দুঃখের বিষয় কারো ভাল কেউ দেখতে পারে না। আমি অধম নাই, আর বৃত্তি তো দুরে থাক এপ্লাস ও নাই।

অমার লেখার বিষয় “শিশুদের দাঁতের যত্ন।”

আমি কোনও ডাক্তার নয়। ডাক্তারে সহযোগতিা,অনলাইন ইত্যাদি দেখে দেখে যা শিখছি তাই বাচ্চাদের শেখালাম ও আমার ব্লগে তুলে ধরলাম।

ডাক্তারসাহেব বলেছেন যে শিশুদের দাঁত ওঠার পর থেকেই ক্ষয়রোগ সৃষ্টি হওয়ার ভয় থাকে।মাড়ির রোগও দেখা দিতে পারে।

তাহলে এ থেকে মুক্তির উপায় কি? ডাক্তারের পরামর্শ হল, নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা।

দাঁত ও মাড়ির উপর, নিচে ও চারপাশে পেষ্ট দিয়ে ভালভাবে সঠিক পদ্ধতিতে দুইবেলা সকালে ও রাতে দাত পরিষ্কার করা দরকার।খাদ্যদ্রব্য যাতে দাতের গায়ে মাড়ির ফাকে লেগে না থাকে।দাঁত পরিষ্কারের জন্য সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি হলঃ-

টুথপেষ্ট ও টুথব্রাশ।ব্রাশের উপর পরিমাণমত পেষ্ট নিয়ে নিচের পাটির দাঁত ও মাড়ির কাছে ঘেষে যেখানে দাঁতের সাথে মাড়ির পাটির সংযোগ হয়েছে।ব্রাশের ডাট মাড়ির উপর ওঠলে ক্ষতি হবে না।ব্রাশটি ঘুরানোর মত আস্তে আস্তে শক্তভাবে নাড়তে হবে।ব্রাশের খিলগুলো দাঁতের ফাকে ও মাড়ির ফাকে ঢুকানোর চেষ্টা করতে হবে।দাঁতের ভিতরে থাকা খাদ্যকণাগুলো যাতে বেরিয়ে আসে সে-রকম-ভাবে উপরে নিচে ব্রাশ চালাতে হবে।সবকটি দাঁতে সমানভাবে ব্রাশ হচ্ছে কিনা লক্ষ রাখবেন।

আমার পোষ্টটি মুলত পিতামাতা ও সন্তানদের জন্য।আমার ব্লগের লেখাগুলিও বেশির ভাগ অভিভাবকের ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য।

আমার এরকম আরো লেখা দেখতে চলে আসুন মুল পাতায়

যেকোন প্রশ্ন উত্তর জানতে ও জানাতে ক্লিক করুন এখানে।

আমাদের ফেসবুক পেজ দেখতে ক্লিক করুন এখানে।

কমেন্ট শেয়ার ও লাইক আশা্ করে ধন্যবাদ দিয়ে এখানে শেষ করলাম।