শুদ্ধিঅভিযান-বঙ্গবন্ধু ফাঁসির ভয়ে থেমে গেলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না

স্বাধীনতার পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান যদি হুমকি, জেল, জরিমানা, ভয়ভীতি এমন কি ফাঁসির ভয়ে থেমে যেত তাহলে আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না । (শুদ্ধিঅভিযান-)
মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতি দিনই কোন না কোন মাদক ব্যবসায়ী চরম অপরাধী আইনশৃঙখলা বাহিনীর হাতে ক্রশ ফায়ারে নিহিত হচ্ছে।মাদক ব্যবসায়ীদের অনেক সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন। ভাল পথে ফিরে আসার জন্য অনেক উৎসাহ যুগিয়েছেন।হয়তো অনেকে অভিনয় করে নামাজ পর্যন্ত পড়েছে। পরে আবার ছেড়ে দিয়েছেন।কেউ কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে।তারা এখনো ক্রশফায়ারে নিহিত হচ্ছে।এতো কিছু করার পরও বাজারে প্রকাশে নেশার ছোবলে উলংঙ্গ (নাংটা) হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন রকম জালাতন করছে।এটা একটা সামান্য উদাহারণ দিলাম।বুঝেন এর ভয়াবহতা কত দূর পর্যন্ত পৌছালে এরকম অবস্থা হতে পারে।হয়তো আন্দাজ করতে পারছেন না যে আসলে কি পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এখানে সমাজ ও পরিবারে।আমি কারো নাম উল্লেখ করছি না্।আর একটা উদাহারণ দিচ্ছি। তার আগে একটু বিষয়টি ক্লিয়ার করি।আমাদের সমাজে যেমন ইমাম আছে, তেমন মাষ্টার আছে, বড় বড় ব্যবসায়ী আছে।এছাড়া খেটে খাওয়া মানুষের কথা তো সবার গালে গালে।আমি এখানে একটা বিষয় খুব পরিষ্কার করে বলতে চায়। তা-হলো ইতিপূর্বে এখানে কোন মাষ্টার জীবনে মাদক কি জিনিস দেখেনি। কোন ইমাম নেশাজাতীয় দ্রব্র গ্রহণ করার ব্যাপারে অনুমতি দেয়নি।কোন ব্যবসায়ী মাদক দ্রব্য গ্রহণ করেননি।যেহেতু তারা কোন দিন এগুলো চোখে দেখেনি সেহেতু তারা তাদের সন্তানদের এগুলো গ্রহণের ব্যাপারে কোন দিনই সমর্থন করবে না।তারা চোখে দেখলো না, অনুমতি দিল না এবং কোন অবহেলাও করলো না। তারপরও এখানকার খেটে খাওয়া মানুষসহ আমাদের সমাজের ঐ নামীদামী ঘরের সন্তানেরা কিভাবে মাদক দ্রব্যের সাথে মিশলো।বুঝেন পরিবারের অনুমতি নাই কিন্তু সমাজে এমনভাবে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়েছে সেটা যে কেউ যেখানে সেখানে খুব সহজে পেয়ে যাচ্ছে।এতোটা সহজ হওয়ার কারণেই হয়তো সব পরিবারে সন্তানেরা নেশার সাথে জড়িয়ে পড়ছে।আর তা দেখে রীতিমতো অভিভাক ও শুভাঙ্খিরা পর্যন্ত আতংকিত হয়ে যাচ্ছে।(শুদ্ধিঅভিযান)
আমি জানি এবং শুনেছি যে নিম্নবিত্ত, নোংরা সমাজের, বস্তির, বেকার এবং দিশেহারা মানুষেরা নেশাদ্রব্যের সঙ্গে বেশি মিশে। কিন্তু ধনী ঘরের সন্তানেরা কিভাবে নেশার সাথে জড়িত হলো।একজন শিক্ষক তো সমাজ গঠনে হাতিয়ার হিসাবে কাজ করে।একজন ইমাম তো বেহেস্ত সৃষ্টির গল্প করে।কিন্তু তাদের সন্তান যখন নেশার সাথে জীবন মরণ নিয়ে খেলা করে, সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করে তখন কিভাবে সমাজ সুস্থ থাকতে পারে? এই অসুস্থ ঘুণে ধরা সমাজে যদি উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে দেশের কর্ণধারেরাও সুস্থ থাকতে পারবে না। সুস্থ জাতি উপহার দিতে পারবে না।জবাবদিহী করতে হবে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে, জবাবদিহী করতে হবে যে আপনাকে ক্ষমতা দিয়েছে তার কাছে।আমি মনে করি আপনে জবাবদিহীতার ভয়ে কোন সৎ কাজ করেন না। আপনে আপনার উদ্দ্যেগগুলো গ্রহণ করেন বাস্তবতার নিরিখে।যেমন গ্রহণ করেছিলেন মাদকদ্রব্যে নিয়ন্ত্রণের উপর।হয়তো এব্যাপারে আরো বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ কিংবা দির্ঘ্যস্থায়ী করা দরকার।সেই রকম যেমন গ্রহণ করেছেন শুদ্ধি অভিযান।আজ আমি এই শুদ্ধি অভিযানের উপর্ লিখতে বসেছি।প্রিয় পাঠক আপনারা জানেন আমার সাইট টি মুলত শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা।শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট তথ্য আজকেও তুলে ধরার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।আজকে আমার লেখার শিরোনাম “স্বাধীনতা পূর্ব হুমকির ভয়ে বঙ্গবন্ধু থেমে গেলে আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না।” প্রিয় পাঠক আপনারা জানেন, বর্তমানে দেশে শুদ্ধি অভিযান নামে দুর্ণিতী বিরোধী কিছু সুন্দর উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।কিছু অশুভ কাজ মানুষের মনে এমনভাবে সেধে গিয়েছিল যার জন্য মানুষ খুব কষ্ট পেয়েছে।
কষ্টের উদাহারণের দিকে আমি ইঙ্গিত দিতে চাই না।তবে কিছু ভাল কাজ অনেক সময় অতীতের কিছু কষ্ট গুলোকে হালকা করে দেয়।একটি সরকারে ভালদিক মন্দ দিক দুটিই থাকতে পারে।তবে এর মাত্রা কম বেশি বলে একটা কথা আছে।বর্তমান শুদ্ধি অভিযান নিয়ে বিভিন্ন মহল, পেপার, পত্রিকা বিভিন্ন রকম মত প্রকাশ করছে।যে, যেই মতই প্রকাশ করুক না কেন, ভাল কাজ করতে গেলে অবশ্যই তার শুত্রু সৃষ্টি হবে।তেমনি বর্তমান শুদ্ধি অভিযান যদি অব্যাহত থাকে তাহলে যেমন বাইরের লোক ধরা পরবে,তেমন কিছু নিজের লোকও ধরা পরবে।তাতে হয়তো নিজের গা কাটা যেতে পারে।আর অশুভ শক্তি তো সব সময় উত পেতে থাকে শুভ শক্তিকে পরাহস্ত করতে।ন্যায় পথে জয় পরাজয়ের ব্যাপার আলাদা। কিন্তু অন্যায়ভাবে কাউকে পথ থেকে সরে দিতে অপকৌশল প্রয়োগকারী নিশ্চয় দেশ ও জাতির শুত্রু।এই দেশ ও জাতির শুত্রু যে কোন সময় সৃষ্টি হতে পারে।কারণ বর্তমান অভিযান চালু থাকলে অনেক কুকৃর্তি ধরা পরবে।অনেক শুভাকাঙ্খী হয়তো নিজের কাছে থেকে সরে যাবে।অনেকে শুভ শক্তির শিকড় উপরে ফেলতে বিভিন্ন অপকৌশল প্রয়োগ করতে পারে।সেক্ষেত্রে আমার মনে ভয় লাগতেই পারে।তবে ভয়ডর যা-ই থাক না কেন, সত্য ও ন্যায় সব সময় জীবিত।সব সময় দেশের মানুষ সত্য ও ন্যায়কে সাধুবাদ জানায়। কোন ভাল কাজ করা দেখলে দেশের সাধারণ মানুষ মনে আনন্দ পাই।প্রধানমন্ত্রীকে সালাম জানাই।দেশের অগণিত মা্নুষ প্রধানমন্ত্রীর পিছনে আছে ভাল কাজে সাহায্য করার জন্য।তিনি যেমন বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান নেত্রী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছেন তার কর্মদক্ষতার মাধ্যমে,তেমনি তিনি যেন সকল অপকৌশলকে দুপায়ে দলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে বিচক্ষণতার মাধ্যমে।।একটা চির সত্য কথা হলো যে,(আমি ইতিহাস থেকে যতটুকু জেনেছি) স্বাধীনতার পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান যত হুমকি, জেল, জরিমানা, ভয়ভীতি এমন কি ফাঁসির ভয়ে যদি থেমে যেত তাহলে আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না।তেমনি সেই বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশনেত্রী থেমে যাবেন না কোন ভয়ভীতির বা হুমকির কাছে।আমি একজন বেকার হিসাবে যতটা মনে প্রাণে সমর্থন করি তেমনি শতকোটি বেকার এ অভিযানকে সমর্থন করে।কারণ এই দুর্ণিতীর কারণে দেশের শত কোটি প্রকৃত মেধাবী বঞ্চিত হয়ে আছে।বাবা মার কাছে এই বেকারেরা একটা হতাশার পাত্র।যা দেখে মানুষ শুধু আপশোষ করে।লজ্জা দেয়।আয়ু কমে যায়।হতাশায় আত্মহত্যা করে।দ্বারে দ্বারে বিচার চেয়ে না্য্য অধিকার ফিরে পাই না।(যেমন এন,টি,আর,সিএ) আজ মানুষ যখন ছেলেমেয়েদের হাজার হাজার টাকা খরচ করে লেখাপড়া শিখিয়ে চাকরি পায় না, তখন কি শান্তনা নিবে।শান্তনার ভাষা একটাই ঘুষ ছাড়া চাকরি হয় না্। (শুদ্ধিঅভিযান-শুদ্ধিঅভিযান-)
বন্ধ হোক ক্যাশিনোসহ সকল ধরনের জুয়াকেলা সারা বাংলদেশ থেকে।এমনকি গ্রাম বাংলার আনাচে কানাচে লুকিয়ে তাস খেলাগুলো।এখন তো বিদ্যালয়ের সামনে দিন দুপুরে তাস খেলা হয় গ্রামে।বিদ্যালয়ের সামনে পান বিড়ির দোকান ও মনিটর দিয়ে টিভি চালানো হয় ২৪ ঘন্টা।যেখানে তাস খেলা নিয়ে দুবেলা সংসারে অশান্তি রাস্তাঘাটে বউ বাচ্চাকে পিটানো যা ক্যাশিনোর চাইতে কোন অংশে কম নয় গ্রামে।এতে গ্রামের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।মানুষের প্রতি সম্ম্যান কমে যাচ্ছে।শুক্রুবারে দুপুরে মানুষ মসজিদে নামাজ পড়তে যায়। সেখানে বাপ চাচা বসে তাস খেলে সারা বেলা জঙ্গলের ভিতরে।এরকম হাজারো অবক্ষয়ের চিত্র আছে সমোজের পরতে পরতে।যা প্রশাসনের সামান্য নজরদারিতে দুরিভূত হতে পারে।সেই আশা কামনা করে এখানে শেষ করছি।সকল ধরনের জটিলা থেকে মুক্তিপাক বাংলাদেশ। (শুদ্ধিঅভিযান)If you will see it`s bangle site so you click this link. Other hand find you many education link here. You will look my face book page here. Teach your child to have one hour a day.শুদ্ধিঅভিযান শুদ্ধিঅভিযান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.