সন্তানের ভয়কে জয় করতে আপনে কতখানি সহায়ক।

সন্তানের ভয়কে জয় করতে আপনে কতখানি সহায়ক।
সন্তানের ভবিষৎ নিয়ে আপনে তো অবশ্যই বাস্ত।কিন্ত নিচের সমস্যাগুলো নিয়ে কতখানি আপনে সচেতন নিজেই দেখুন তো। কারণ এটা তো বাবা-মার বড় দায়িত্ব।সমসাময়িক বিষয়ে সন্তানের সমস্যা সমাধানে আপনে কতখানি প্রস্তুত আছেন বা অবগত আছেন? এই ধরুন সন্তানের প্রতিদিনের পড়া, সপ্তাহিক পরিক্ষা, সাময়িক পরিক্ষা, পোশাক, চিকিৎসা ইত্যাদি।আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি এমনও বাবা মা আছেন যারা কোন দিনই সন্তানের সিলেবাসের খোজ খবর নেয় না।সন্তান বড় হওয়া লাগবে বড় মানুষ হবে এক্ষেত্রে যত ভাবনা যত যোগান লাগবে দিতে প্রস্তুত । কিন্তু সন্তান যে এই সময় কোন বিশেষ ভাবনায় বা চিন্তায় ভুগছে সে রকম নজরদারি আমরা খুব কমই করে থাকি।সন্তানের প্রাইভেট, কোচিং, গৃহশিক্ষক দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেছি।আমি একটা গল্প বা উদাহারণ দিয়ে আর একটু পরিস্কার করতে চাই।কোন এক উকিল সাহেব সন্তানের জন্য বিষয়ভিত্তিক তিনজন গৃহশিক্ষক দিয়েছেন। শিক্ষকগণ যথা নিয়মে পড়াচ্ছেন। কোন কারণে সন্তানের পরিক্ষার ফলাফল ভাল হয়নি।এখন উকিল সাহেব তিন গৃহ শিক্ষককে এক সঙ্গে বাসায় নিয়ে এসে বাচ্চার খাতাগুলো বের করে দিয়ে বলছে এর পরিক্ষা খারাপ হলো কেন?অবশ্য চিন্তারি বিষয় তিন তিনজন গৃহ শিক্ষক হাজার হাজার টাকা বেতন দিয়ে রাখার পর যদি রেজাল্ট খারাপ হয় তখন মনে কষ্ট পাওয়াটাই স্বাভাবিক।এখন আমার প্রশ্ন হলো ঐ সন্তানের রেজাল্ট খারাপ হওয়ার পিছনে কি শুধু ঐ শিক্ষকই দায়ী না আপনেও দায়ী?
আপনেও দায়ী আপনার সন্তানের রেজাল্ট খারাপ হওয়ার পিছনে।আপনে তো আপনার বাস্ততার কারণে সন্তানকে গৃহ শিক্ষক দিয়ে পড়াশোনার দায়িত্ব দিয়েছেন।কিন্তু পিতামাতার দায়িত্ব তো গৃহ শিক্ষক নিতে পারে পালন করতে পারবে না্।সন্তানের বিশেষ দায়িত্ব গুলো তো আপনে টাকা দিয়ে পুরণ করতে পারবেন না্।আমার অলোচনার বিষয় সন্তানের ভয়কে জয় করতে আপনে কতখানি সহায়ক। এ বিষয়ে আমার নিজের কিছু মতামত আপনাদের নিকট তুলে ধরতে চাই।
আপনে সন্তানকে সাহস দিন। হয়তো সন্তান ইংলিশ মিডিয়ামে পড়তে ভয় করছে।সে তার ভবিষৎ ভাবনা নিয়ে বিশেষ চিন্তায় পড়ছে।তাকে বুঝান যে ভাল ছাত্ররা একটু নিয়মিত চেষ্টা করলেই ইংরেজিতে ভাল করতে পারে।আপনাদের কেউ পরিচিত থাকলে তাদের গল্প তাকে মোনান যে অমুক সে তো এই বিষয়ে খুব ভাল করেছে।তুমি কেন পারবে না।পাশের বাড়ীর বা পাড়া মহল্লার কেউ থাকলে তাদের উদাহারণ দিন।একটা উদাহারণ কিন্তু শত পরামর্শের চাইতে বেশি কাজ করবে।বলুন যারা পরিশ্রম করছে তারা অবশ্যই বিজয়ী হবে।আপনে সন্তানকে বোর্ড বই পড়ার পাশাপাশি ইংরেজি বই, খবরের কাগজ, বিভিন্ন ইংরেজি প্রোগ্রামগুলো দেখার সুযোগ করে দিন।যদি পারেন আপনারা সন্তানের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলুন।যিনি ইংরেজি জানেন তিনার সঙ্গে পরিচয় করে দিন ইংরেজিতে কথা বলার জন্য।সন্তানকে ইংরেজি চর্চার উৎসাহ প্রদান করুন।ওকে আপনে সমসায়িক কিছু বিষয়ে সাহায্য করুন সাহস যোগান দেন দেখবেন ও একদিন নিজেই এগিয়ে যাবে।
শুধু কোচিং,প্রাইভেট, গৃহ শিক্ষককের আশায় পড়ে থাকলে বাবার চাহিদা পুরণ হবে না।এরকম যত সমস্য আপনে সন্তানের ব্যাপারে লক্ষ করবেন তত আপনে তাকে সাহস যোগাবেন।সেটা হতে পারে অসুখ বিসুখ,চিকিৎসা, পরিক্ষা প্রস্তুতি সব কিছু। সকল বিষয়ে আপনার সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।আপনে সুযোগ পেলে অবশ্যই সন্তানের সিলেবাস সর্ম্পকে নিজে জানতে চাইবেন।নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে সিলেবাস সর্ম্পুণ করার জন্য রুটিন করে দিবেন।সিলেবাস অনুযায়ী রটিন করে দিলে বুঝতে পারবেন আপনার সন্তানকে দিনে কতক্ষণ পড়তে হবে।এবং সেই অনুয়ায়ী যদি একজন ছাত্র পড়ে তাহলে সে ছাত্র অবশ্যই পরিক্ষায় ভাল রেজাল্ট করবে।এই বিষয় গুলো্ বুঝা এবং সেই অনুযায়ী কাজ করা এবং করছে কি না তা লক্ষ করা একজন বাবা-মার পক্ষে যত সহজ তা অন্য কারো পক্ষে এতো সহজ নয়।এরকম হাজারো ভয়ের বিষয় আছে যা এই ছোট্র পোষ্টে তুলে ধরা সম্ভম নয়।সুতারাং আপনে লক্ষ করুন আপনার সন্তানের ভয়ের বিষয় গুলো কি কি? সে বিষয় গুলো সমন্ধে ভয় কেটে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা অনুস্বরণ করুন।এভাবে চেষ্টা করলে ইনশাল্লাহ অপনার সন্তান, আপনার প্রতিবেশি, আত্মীয় পরিজনের সন্তান তারা সবাই ভাল হবে। ইনশাল্লাহ।আর এরকমভাবেই চলতে হবে।কারণ বর্তমান পরিবেশ শিক্ষার অবস্থা শিক্ষা অনকুল নয়।সুতারাং আপনে নিজেই লক্ষ করুন আপনার সন্তানের ভয়কে জয় করার পিছনে আপনে কতখানি সহয়ক।আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন যার বাবা-মা নাই তারা কি ভাল ছাত্র হতে পারে না।না তারা খুব একটা ভাল হতে পারে না।যদিও পারে তারা বুঝে যে পিতা-মাতার অবর্তমানে আমি কতখানি অসহায়।এই জ্ঞান তারা কাজে লাগায়। এবং সেটা হাতে গোনা কয়েকজন।আর আমি এখানে শুধু বাবা-মার কথা বলছি। এখানে বাবা-মা্র ভুমিকা কিন্তু একজন অভিাবকও পালন করতে পারেন।
শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন লেখা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
যেকোন প্রশ্ন করতে ও জানাতে এখানে ক্লিক করুন
আমাদের ফেসবুক পেজ দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.