৫ম সপ্তাহঃ কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এ্যাসাইনমেন্ট-১

৫ম সপ্তাহঃ কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এ্যাসাইনমেন্ট-১। ৭ম শ্রেণির ইংরেজি এসাইনমেন্ট ২০২১। Class 7 Assignment 6th week ৭ম শ্রেণির English অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান ২০২১। সপ্তম  (৭ম) শ্রেণির ২০২১ সালের six সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। সকল শ্রেণির সকল বিষয়ের এসাইনমেন্টের জন্য চোখ রাখুন এই সাইটে। শ্রেনীঃ ৭ম বিষয়ঃ কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা। অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিষয়: কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা – শ্রেণী:৭ম । ৫ম সপ্তাহঃ কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এ্যাসাইনমেন্ট-১ । ৫ম সপ্তাহঃ কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এ্যাসাইনমেন্ট-১।

 এর শিরোনামঃ “সভ্যতার বিকাশে কায়িক ও মেধাশ্রম উভয়েই গুরুত্বপুর্ণ” শিরোনামে ৩০০ শব্দের মধ্যে একটি নিবন্ধন রচনা লেখা হলোঃ  

ভুমিকাঃ

আমরা এখন সভ্য ও আধুনিক মানুষ। কিন্তু এ অবস্থানে আসতে পারি দিতে হয়েছে দীর্ঘ পথ । মানুষের মেধা ও শ্রমের যুগপৎ সম্মিলনে আমরা আজকের এ অবস্থানে পৌছাতে পেরেছি। সভ্যতার অগ্রযাত্রায় মানবজাতির মেধা ও কায়িকশ্রম উভয়েৰু ভূমিকাই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে বেঁচে থাকার জন্য যেমন মানসিক ও শরীরিক দুই প্রকার শ্রমকেই সমান গুরুত্ব দিতে হয়। তেমনি আদিম মানুষও সভ্যতার বিকাশে সমান গুরুত্ব  দিয়েছিলো।

মেধা শ্ৰম কী?:

 মানুষ তার কাজে চিন্তা-চেতনা, বুদ্ধি ও মেধা ব্যাবহার করায় যে শ্রম দেয় তাকে মেধাশ্রম বলে। অর্থাৎ যে শ্রমে ঘাম ঝরে তাকে মেধাশ্রম বলে। যেমনঃ সরকারি বেসরকারি দাপ্তরিক ( অফিসিয়াল) কাজ, কম্পিউটার প্রগ্রামিং, বই লেখা, ফ্রি ল্যান্সিং, শিক্ষকতা, পড়ালেখা করা, সাংবাদিকতা, আইন পেশা এবং গান লেখা  ইত্যাদি মেধাশ্রম।

কায়িক শ্রম কী?

মানুষ তার শারিরীক শক্তি দিয়ে কোনো কাজে যে শ্রম দেয় তাই শারীরিক শ্রম। যেমনঃ শ্রমিক, ড্রাইভার, মেশিন অপারেটর, কুলি, মিস্ত্রি, কামার, কুমার, মুচি, নাপিত, ধোপা ইত্যাদি শ্রেনীপেশার মানুষের শ্রমই কায়িক শ্রম।

সভ্যতার বিকাশে মেধাশ্রমঃ

বলা হয়ে থাকে যে কয়েকটি আবিষ্কার মানুষকে সভ্য মানুষ হিসেবে পরিচিত করেছে তার মধ্যে আগুন অন্যতম। সভ্যতার শুরুতেই মানুষ আবিষ্কার করেছিল আগুন। মানব সভ্যতার শুরুর দিকে যখন মানুষ গুহায় কিংবা গাছের ডালে বাস করত তখন আগুন ছিল তাদের  কাছে খুব ভয়ের বিষয়বস্তু। তারা আগুনকে ভাবত দেবতার রোষের বহিঃপ্রকাশ।

তাই বনে আগুন লাগলে তারা দেবতাকে খুশি করার জন্য নানাকিছু করত। এভাবে শত শত বছর চলে যাওয়ার পর তারা আবিষ্কার করেছে প্রকৃতিতে কীভাবে আগুন সৃষ্টি হয়। কীভাবে শুকনো  ডালে ডালে ঘষা লেগে সৃষ্টি হওয়া স্ফুলিঙ্গ তৈরি করে বিশাল আগুন।

 আবার পাথরে পাথরে ঘষা লেগে কীভাবে আগুন সৃষ্টি হয় সেটাও মানুষ আবিষ্কার করেছিল। কিন্তু শুধু আগুন সৃষ্টি করলেই তো হবে না, আগুনের উপর নিয়ন্ত্রণও থাকতে  হবে। আগুনের ব্যবহার আয়ত্ত করতে, আগুনকে নিজের প্রয়োজনে কাজে লাগাতে মানুষের অনেক বছর সময় লেগেছে। কোনো  একদিন হয়তো  কিছু ক্ষুধার্ত মানুষ খাবারের খোঁজ করে বেড়াচ্ছিল।  খুঁজতে খুঁজতে হয়তো  দাবানলের আগুনে পুড়ে যাওয়া কোনো প্রাণীর মাংস তারা খেয়ে বেশ মজা পেযেছিল। সবাই দেখল যে কাঁচা মাংসের চেয়ে পোড়া  মাংসের স্বাদ ভালো।

 তখন তারা মাংস আগুনে পোড়ানো শুরু করে।   এভাবে প্রচলন হয় রান্নার। অর্থাৎ মানুষ আগুনের ব্যবহার শিখেছিল প্রাকৃতিক ঘটনা দেখে। আমরা এখনও প্রাকৃতিক ঘটনা দেখে অনেক কিছু শিখি। আগের দিনে তো  দিয়াশলাই ছিল না, ছিল না গ্যাস লাইটারও। মানুষকে পাথর ঘষে ঘষে আগুন জ্বালাতে হতো। এভাবে আগুন জ্বালানো  ছিল খুবই কষ্টসাধ্য।

তাই বেশিরভাগ মানবগোষ্ঠী সব সময় আগুন জ্বালিয়ে রাখত। কীভাবে দীর্ঘ সময় আগুন জ্বালিয়ে রাখা যাবে তা মানুষ শিখেছিল মেধাশ্রমের মেধাশ্রমের মাধ্যমে। মেধাশ্রম মানুষকে শিখিয়েছিল তার জীবনের প্রয়োজন মেটানোর উপযোগী বস্তু ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে। প্রাচীন মানুষের কোনো আনুষ্ঠানিক  বিদ্যালয় ছিল না, প্রকৃতির কোলে বসে প্রকৃতি থেকে তারা শিখত। প্রকৃতির  নানা ঘটনা দেখে তারা সেটা নিয়ে ভাবত, চিন্তা করত ও মাথা খাটাত।

এভাবে মাথা খাটানো  মেধাশ্রমের উদাহরণ। অর্থাৎ মেধাশ্রমের মাধ্যমে তারা অনেক কিছু শিখত। যেমন- প্রাচীন মানুষরা খেয়াল করেছিল বাতাস না থাকলে আগুন জ্বলে না। আবার বেশি বাতাসে আগুন নিভে যায়।

 কাজেই  আগুন জ্বালানোর জন্য বাতাস নিয়ন্ত্রণ করাটা জরুরি। আবার ভেজা কোনো  কিছুতে আগুন লাগে না। সেটাও মানুষ শিখেছে মেধাশ্রমের মাধ্যমে।

সভ্যতার বিকাশে কায়িকশ্রমঃ

আজ থেকে প্রায় সত্তর হাজার বছর আগে এ অঞ্চলে মানুষ বসতি স্থাপন করেছিল। তারা পাহাড়ের গুহায় বসবাস করত। প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের ভূমি খুব উর্বর। বনে-জঙ্গলে জন্মাত নানা ফলের গাছ। সে সময়ে মানুষ ফলমূল সংগ্রহ করে তাদের ক্ষুধা নিবারণ করত। তারা কিন্তু সব ফল খেত না। তারা শিখেছিল কোন ফল খাওযা যায়।

আর কোন ফল খাওয়া যায় না। তখন বসতি স্থাপন করা সহজ কোনো ব্যাপার ছিল না। বসতি স্থাপনের জন্য তাদের গুহা খুঁজে বের করতে হতো । কখনো কখনো তারা ঢালে গুহা খনন করত। যথাযথভাবে গুহা খনন করা না হলে মাটি ধসে ক্ষতি, এমনকি মারা যাওয়ার আশঙ্কাও ছিল । তাই তারা তাদের মেধাশ্রমের সাহায্যে আশঙ্কাহীন স্থানে, কায়িক শ্রমের সাহায্যে গুহা খনন করত। শেষ ৫ম সপ্তাহঃ কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এ্যাসাইনমেন্ট-১।

উপসংহারঃ

বাস্তব জীবনে এবং সভ্যতার বিকাশে উভয় শ্রমই সমান গুরুত্ব বহন করে। কারন একে অপরের পরিপুরক। আর যদি একটি শ্রম কম হতো তাহলে পৃথিবী এত সুন্দর ও আধুনিক ভাবে গড়ে উঠত না।

৭ম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান ২০২১

৭ম শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের চারু ও কারুকলা উত্তর

৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর।

৯ম/নবম শ্রেণীর ৪র্থ সাপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর

৬ষ্ঠ শ্রেণী চারু ও কারুকলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

সোনামণিদের ১০টি গুণাবলী

পরিসংখ্যানের জনগুরত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

খুব গুরত্বপূর্ণ মনকাড়া সর্বদা পালনীয় কতগুলো উপদেশ।

হাশরের ময়দানে মানুষ ১২টি কাতারে বিভক্ত হবে

Best Quran Recitation in the World 2016 Emotional Recitation

Mostafa Dewan

I can work with SEO, (off-page SEO) Link building, Facebook marketer, content writing, content rewrite, word press install, blog comment, backlink creation, article submission, blog post, etc. Any product or business I can reach millions of people through my work skills I understand the mentality of the customer. I am a very attractive and effective web content writer to promote any business. I work with full responsibility of a large organization able to work with self-direction and motivation. I find peace in the middle of my work. Thank you by Mostafa Dewan bdpnpc 01736265696 .

error

দয়া করে শেয়ার করবেন।

RSS
Follow by Email